আজ অনন্যা সাহিত্য পত্রিকার পাতায় থাকছে তিনজন কবির তিন টি কবিতা। প্রথম জন পুরুলিয়ার তরুণ কবি সন্তু মুখোপাধ্যায় । দ্বিতীয়জন চমক মজুমদার । তৃতীয়জন কবি অভিজিৎ মান্না । অনন্যার পাতায় এদের কবিতা প্রকাশিত হয়েছিল যথাক্রমে ১৫, ২০, ৬২ পাতায়। লেখার সঙ্গে ছবিও দেওয়া হল।
কবিতার জন্ম
সন্তু মুখোপাধ্যায়
মানুষ একা হলেই
লিখে ফেলে বিষাদের ইতিহাস,
লিখে ফেলে বিষাদের ইতিহাস,
না-বলা কথা আর চোখে জল নিয়ে
উদাসীন লিখে চলেছি এক একটা উপন্যাস,
উদাসীন লিখে চলেছি এক একটা উপন্যাস,
মাতৃজঠরে ভ্রূণের উৎকন্ঠায়
কবির শব্দভাণ্ডে গর্ভধান লেখা হয়।
কবির শব্দভাণ্ডে গর্ভধান লেখা হয়।
মুক্ত হয় দানবীয় শৃঙ্খল,জন্ম হয় কবিতার।
![]() |
| অনন্যা সাহিত্য পত্রিকা |
তুই
চমক মজুমদার
তুই
চলে গেলেও
তোর
মেয়েলি গন্ধ
লেগে
থাকে হৃদয় জুড়ে।
বারবার
তুই যখন ফিরে ফিরে আসিস
আমি
আকড়ে ধরি বালি
মুঠো
খুলে দেখি-- কিচ্ছুটি নেই।
সমুদ্রের
পাড়ে বসে ঢেউ গুনে যাই।
প্রতিটা
ব্যর্থ প্রেমিক আদার ব্যাপারী
যে
বন্দরে বন্দরে ঘোরে জাহাজের খোঁজে।
শুকতারা-দের ভীড়ে
অভিজিৎ মান্না
.
নভোমণ্ডল জুরে ছেয়ে থাকা পয়োধরের দল---
নরম তুলতুলে- পেঁজা, পেঁজা তুলো সব,
কখনও মনে হয় কোন কান্তার কুন্তলের বিন্যাস।
ক্ষণদার অম্বরে যখন চায় মিটি, মিটি তাঁরা---
আর তারিসাথে আলো দেয় নীল জোঁনাকিরা।
মনে হয় স্বপ্নের দেশে এসে পড়েছি বোধয়---
নয়তো কোন রূপকথা জন্ম নিয়েছে অবনীতে।
ঘাসের আগায়-- শিশির- কণা---
যেন কোনও কিশোরীর উঠতি যৌবন।
চারিধারে ছেয়ে থাকা- সবুজ শাখীর দৃশ্য---
মনেতে দেয় দোলা- তাদের প্রেমে আমি মগ্ন,
সবি মন ভোলায়-- এ রূপ দেখে তৃপ্ত।
.
তবু একসময় কিছুই আর লাগেনা ভালো---
যখন দেখি পথের ধারে পড়ে আছে----
অনাথের দল, ছোট, ছোট মুখ- কতো।
পেট ভরে পায়না যারা খেতে একমুঠো,
মিশেগেছে ধূলোর সাথে যাদের স্বপ্নগুলো।
তখন এই অবনীর রূপ আর লাগেনা ভালো---
কবি মন কোথায় দূরে নিরূদ্দেশে যায় লুকিয়ে,
এক অজানা মন জন্ম নেয়-- এই হৃদয়ে।
পেঁজা, পেঁজা মেঘ মনে হয়- চুল্লীর কালো ধোঁয়া,
কোন কামিনীর কেশ নয়- পচা আর্বজনা।
অন্তরীক্ষে তাঁরাগুলো যেন- রাক্ষসের চোখ---
প্রতি রাতে ভয় দেখিয়ে যাচ্ছে যারা।
কোন রূপকথার দেশ আর আমি পাইনা খুঁজে---
ধরণী মনে হয়- পরিনত হয়েছে নরকে।
কিশোরীর যৌবনরস যেন গিয়েছে শুকিয়ে।
তখন নিশিতে একটি শুকতাঁরাকে খুঁজে-মরিনা মিছে,
তখন এই মন থাকে হাজার শুকতারার ভীড়ে---
অনাথ শিশুদের কষ্টের ভাবনায় মুখগুঁজে ।।
.
অভিজিৎ মান্না
.
নভোমণ্ডল জুরে ছেয়ে থাকা পয়োধরের দল---
নরম তুলতুলে- পেঁজা, পেঁজা তুলো সব,
কখনও মনে হয় কোন কান্তার কুন্তলের বিন্যাস।
ক্ষণদার অম্বরে যখন চায় মিটি, মিটি তাঁরা---
আর তারিসাথে আলো দেয় নীল জোঁনাকিরা।
মনে হয় স্বপ্নের দেশে এসে পড়েছি বোধয়---
নয়তো কোন রূপকথা জন্ম নিয়েছে অবনীতে।
ঘাসের আগায়-- শিশির- কণা---
যেন কোনও কিশোরীর উঠতি যৌবন।
চারিধারে ছেয়ে থাকা- সবুজ শাখীর দৃশ্য---
মনেতে দেয় দোলা- তাদের প্রেমে আমি মগ্ন,
সবি মন ভোলায়-- এ রূপ দেখে তৃপ্ত।
.
তবু একসময় কিছুই আর লাগেনা ভালো---
যখন দেখি পথের ধারে পড়ে আছে----
অনাথের দল, ছোট, ছোট মুখ- কতো।
পেট ভরে পায়না যারা খেতে একমুঠো,
মিশেগেছে ধূলোর সাথে যাদের স্বপ্নগুলো।
তখন এই অবনীর রূপ আর লাগেনা ভালো---
কবি মন কোথায় দূরে নিরূদ্দেশে যায় লুকিয়ে,
এক অজানা মন জন্ম নেয়-- এই হৃদয়ে।
পেঁজা, পেঁজা মেঘ মনে হয়- চুল্লীর কালো ধোঁয়া,
কোন কামিনীর কেশ নয়- পচা আর্বজনা।
অন্তরীক্ষে তাঁরাগুলো যেন- রাক্ষসের চোখ---
প্রতি রাতে ভয় দেখিয়ে যাচ্ছে যারা।
কোন রূপকথার দেশ আর আমি পাইনা খুঁজে---
ধরণী মনে হয়- পরিনত হয়েছে নরকে।
কিশোরীর যৌবনরস যেন গিয়েছে শুকিয়ে।
তখন নিশিতে একটি শুকতাঁরাকে খুঁজে-মরিনা মিছে,
তখন এই মন থাকে হাজার শুকতারার ভীড়ে---
অনাথ শিশুদের কষ্টের ভাবনায় মুখগুঁজে ।।
.
![]() |
| অনন্যা সাহিত্য পত্রিকা |
পড়ুন। মতামত দিন। লাইক করুন। শেয়ার করুন।
অনন্যা সাহিত্য পত্রিকা |
![]() ![]() ![]() |





No comments:
Post a Comment